কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বদলে দিচ্ছে বাংলাদেশের সফটওয়্যার শিল্প
২০২৬ সালের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টেক ট্রেন্ড, ইন-ডেপথ বিশ্লেষণ ও এক্সপার্টদের সাথে সাক্ষাৎকার।

গত এক বছরে বাংলাদেশের সফটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যে গতিতে ঢুকেছে, তার তুলনা নেই। ব্যাংকিং, ই-কমার্স, হেলথটেক থেকে শুরু করে সরকারি সেবা — সবখানেই এআই এখন কেন্দ্রীয় ভূমিকায়।
স্থানীয় স্টার্টআপগুলো এখন ওপেন-সোর্স LLM ব্যবহার করে বাংলা ভাষার জন্য বিশেষায়িত মডেল তৈরি করছে, যা আগে সম্ভব ছিল না। এতে গ্রাহক সেবা, ডকুমেন্ট প্রসেসিং এবং কনটেন্ট মডারেশনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে।
বেসিসের সর্বশেষ প্রতিবেদন বলছে, দেশের প্রায় ৩৮% সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান এখন কোনো না কোনোভাবে এআই ব্যবহার করছে। এর মধ্যে চ্যাটবট, ডকুমেন্ট বিশ্লেষণ এবং কোড অটো-কমপ্লিশন সবচেয়ে জনপ্রিয়।
তবে চ্যালেঞ্জও কম নয়। GPU-এর অভাব, ডেটা প্রাইভেসি এবং দক্ষ ইঞ্জিনিয়ারের ঘাটতি — এই তিনটি বিষয় ইন্ডাস্ট্রির অগ্রগতিকে ধীর করছে। সরকারি নীতিমালা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সামনের পাঁচ বছরে বাংলাদেশ যদি এআই-ভিত্তিক এক্সপোর্টে জোর দিতে পারে, তবে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো বৈশ্বিক বাজারে শক্ত অবস্থান গড়তে পারবে। এখনই সঠিক পথে হাঁটার সময়।